• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

আপনারা বিচলিত হবেন না এ বছরেই ৫০ হাজার পাকা বাড়ি নির্মান করা হবে- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১

আপনারা বিচলিত হবেন না
এ বছরেই ৫০ হাজার পাকা বাড়ি নির্মান করা হবে- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

আমাদের রংপুর ডেক্স \ \
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের ১৫শ’ বন্যা কবলিত পরিবারের হাতে শুকনা খাদ্য ও চাল তুলে দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. মো. এনামুর রহমান এমপি । এসময় তিঁনি বলেন, আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা সরেজমিনে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতে এসেছি। আমি নিজে আমার সচিবসহ এলাকা দেখে গেলাম। ঢাকা গিয়ে আবারও ত্রাণ পাঠানো হবে। তিনি আরো বলেন, বন্যায় যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতি হয়েছে তাদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মান করে দেয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ হাজার পাকা বাড়ি করে দেয়া হবে। আপনারা বিচলিত হবেন না। প্রধানমন্ত্রী তিস্তা নদীকে ঘিরে ডেল্টা প্লান হাতে নিয়েছেন। এছাড়াও জাইকার আর্থায়নে ৪৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তিস্তার বহুমিখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তিস্তা পারের মানুষ আর ভাঙ্গনের মুখে পড়বেনা।
শুক্রবার বিকালে স্থানীয় কাকিনা মহিমা রঞ্জন স্মৃতি উচ্চ বিদলালয়ে মাঠে জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মহসিন পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান, সহকারি কমিশনার (ভুমি) ইসলাত জাহান, আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিনসহ নেতা কর্মীরা।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আকস্মিক বন্যা কবলিত এলকা পরির্দশন করে সঠিক চিত্র দেখলাম। এ ব্যপারে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হব।
লালমনিারহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন বলেন, প্রতি বছর জেলার ৫টি উপজেলায় তিস্তার ভাঙ্গন দেখা দেয় এতে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়।লালমনোরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ ভার্চুয়ালে সংযুক্ত হয়ে বলেন, হঠাৎ করে তিস্তার পানিতে লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, আধাঁপাকা ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে শৈলমারি,জামিরবাড়ি, চরবৈরাতী, মহিষামুড়ি,রুদ্রেশ^র,কালমাটি,গোবরধন,মহিষখোচা এলাকার মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
তিঁনি ক্ষতিগ্রস্থদের পর্যাপ্ত সাহয্য প্রদানে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষন করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, বন্যার কারণে যে সব রাস্তা ভেঙ্গে গেছে সেগুলো জরুরী মেরামত ও ব্রিজ কালভাট ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে দ্রæত সময়ে নির্মানে দাবিও জানান।
এ উপজেলায় ৩০ মেট্রিক টন চাল ও ৩শত বস্তা ১৪.৫০ কেজি ওজনের শুকনা খাদ্য যার মধ্যে রয়েছে চাল,ডাল, তেল, চিনি, পিয়াজ মরিচ,হলুদ, ধনে গুড়া।


এ জাতীয় আরও খবর :