• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০১:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

অনলাইন ডেক্সঃ

রংপুরে বিএনপি’র গণসমাবেশ : দু’দিনের পরিবহন ধর্মঘট উত্তেজনা বাড়িয়েছে নেতাকর্মীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২২

>> বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা

>> নেতাকর্মীদের হয়রানীর আশংকা

>> সামবেশ ঘিরে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে প্রশাসন

>> ‘চলো চলো রংপুর চলো’ স্লোগানে আসতে শুরু করেছে নেতা-কর্মীরা

>> শুক্রবার ভোর থেকে বসছে নগরীর প্রবেশ পথে পুলিশের চেকপোস্ট

বিএনপি’র চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনায় গণসমাবেশের পর উত্তরের বিভাগীয় নগরী রংপুরে গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে আগামী শনিবার (২৯ অক্টোবর)। এই সমাবেশকে ঘিরে নেতাকর্মীরা নানা ধরণের প্রস্তুুতি নিয়েছেন। এরই মধ্যে শুক্রবার ভোর থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতি। সমবেশে ঘিরে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে প্রশাসন। আজ শুক্রবার সকাল থেকেই নগরীর প্রবেশ পথে চেকপোস্ট বসবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষজনের মাঝে বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা। অনেকেই এতে ভোগান্তিতে পড়বেন। তবে এবারের গণ-সমাবেশে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে সাড়া ফেলে ‘চলো চলো রংপুর চলো’ স্লোগান। পথে পথে এই স্লোগান তুলে দলীয় নেতাকর্মীরা সমাবেশে আসতে শুরু করায় নতুন মাত্রা পেয়েছে এই সমাবেশ।

এদিকে সমাবেশের জন্য জিলা স্কুল মাঠ চেয়ে আবেদন করলেও মহানগর পুলিশ অনুমতি দিয়েছে কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠের। ইতিমধ্যেই মাঠে মঞ্চ বানানোর কাজ শুরু হয়েছে। অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই গত তিনদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মীরা রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে অবস্থান নিয়ে মঞ্চ তৈরির কাজ তদারকি করছেন। রংপুর নগরীসহ বিভাগের সকল জেলা-উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এমনকি ওয়ার্ড-গ্রাম পর্যন্ত পোস্টার- ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। সব চেয়ে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে সাড়া ফেলেছে  ‘চলো চলো রংপুর চলো’  স্লোগান।

এরই মধ্যে দলীয় নেতাকর্মীসহ মানুষজন রংপুরের গণ-সমাবেশে আগাম হাজির হচ্ছে। কেউ কেউ চিড়া-মুড়ি-গুড়সহ সাথে এনেছেন কাঁথা-কম্বলও। বৃহস্পতিবার অনেকেই  নগরীর আবাসিক হোটেল, ছাত্রবাস, স্বজন, পরিজন ছাড়াও নগরীর বাইরে বিভিন্ন উপজেলার আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে অবস্থান নিচ্ছেন। শুক্রবারের মধ্যেই সমাবেশের ৪০ ভাগ লোক রংপুরে প্রবেশ করবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। তবে পুলিশ নেতাকর্মীদের এখনও গ্রেফতার না করলেও ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানীর আশংকা করছেন দলের নেতারা। দলীয় নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, নেতাকর্মীরা শুকনা খাবার চিড়া-গুড়, পানি ও কাঁথা-বালিশ নিয়ে শুরবার দুপুরের মধ্যে সমাবেশে অবস্থান নেবে। যে কোন পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুত।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে,  সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা গণসমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ চাড়াও সমাবেশ থাকবেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুসহ কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

লালমনিরহাটের পাটগ্রামের শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আজিজপুর গ্রাম থেকে সমাবেশস্থলে এসেছেন মোস্তাফিজুর রহমান (৪৬) ও রহিদুল ইসলাম (৪০)। তারা বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় ট্রেনে করে পাটগ্রাম থেকে রংপুর স্টেশনে এসে পৌঁছান তারা। স্টেশনে চিড়া-মুড়ি খেয়ে রাতযাপনের পর বৃহস্পতিবার সকালে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। সঙ্গে কম্বলও এনেছেন। ২৯ অক্টোবর সমাবেশ শেষে বাড়ি ফিরবেন।

শুধু মোস্তাফিজুর ও  রহিদুল নয় তাদের মতো গাইবান্ধার সাঘাটার ঘুড়িদহ থেকে এসেছেন আরিফুল ইসলাম, রাজারহাটের সাদ্দাম হোসেন ও গোবিন্দগঞ্জ মহিমাগঞ্জের জাহিদুল ইসলামসহ অনেকেই।

তাদের দাবি, যদি গাড়ি ঘোড়া বন্ধ থাকে, পথে বাধা দেয়া হয়, মারামারি হয়। তাহলে তো আসতে পারবো না। এজন্য আগেই আসা। সমাবেশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি রংপুরেই অবস্থান করবেন। তাদের মতো আরও অনেকেই শুক্রবার আসবেন।

এব্যাপারে রংপুর বিভাগীয় গণ-সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়ক এবং বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের জানান, বিএনপি’র পক্ষ থেকে প্রায় সোয়া মাস আগেই সমাবেশের জন্য রংপুর জিলা স্কুল মাঠের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা পোস্টারিংসহ প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। কিন্তু অন্তিম মুহূর্তে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার আমাদের গণ-সমাবেশের জন্য কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে মৌখিক অনমুতি প্রদান করেন। আমরা প্রশাসনের প্রতি সম্মান জানিয়ে কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে মঞ্চ তৈরিসহ অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ চালাচ্ছি। এর আগে গত এক মাস ধরে রংপুর বিভাগের সকল জেলা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গণ-সমাবেশ সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীরা সাথে প্রস্তুুতি সভা করা হয়েছে।

তিনি আরোও বলেন, রংপুর বিভাগীয় গণ-সমাবেশ হবে একটি পরিচ্ছন্ন সমাবেশ। স্বরণকালের সর্ববৃহৎ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। আমরা নিশ্চিত করেছি, শুধু বিএনপি নেতাকর্মী নয়, তৃণমূল, নগর, শহর এবং বন্দরের সাধারণ মানুষরাও এই কর্মসূচিতে অংশ নিবেন। সমাবেশ স্থল ছাপিয়ে মানুষের স্রোতে রংপুর মহানগরীর প্রধান সড়ক, বিভিন্ন মাঠসহ অলিগলিতে ভরে যাবে বলে তিনি দাবি করেন।

রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুমতি না দেয়ার মাধ্যমে সরকার এবং প্রশাসন বার্তা দিয়েছে, তারা আমাদের গণ-সমাবেশ বাধাগ্রস্ত করার পাঁয়তারা করছেন। তাই সরকার পরিবহন ধর্মঘট ডাক দিয়েছে। কিন্তু মানুষের স্রোতে ঠেকাতে পারবে না সরকার। সকল ধরণের বাধা অতিক্রম করে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ গণসমাবেশে উপস্থিত হবেই। গণ-সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

রংপুর মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু বলেন, কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠের মিনারের সামনেই কাঠ ও বাঁশ দিয়ে ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২৫ প্রস্থ ফুট প্রস্থের মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে। মাঠের পাশে কয়েকটি গেটও করা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রশাসন জিলা স্কুল মাঠের অনুমোদন দেয়নি ভয়ে। তবে সেটি দিলেই পরিস্থিতি ভালো থাকতো। পুলিশ চীনের প্রাচীর দিলেও মানুষের স্রোতে আটকাতে পারবে না। ইতোমধ্যেই সমাবেশ স্থলের লোকজন বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসতে শুরু করেছে। শুক্রবারের মধ্যেই সমাবেশের প্রায় ৪০ ভাগ লোক নগরী এবং আশেপাশে বিভিন্নভাবে এসে পৌছবেন।

তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের আটক বা গ্রেফতার করা না হলেও সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নেতাকর্মীদের বিষয়ে খোঁজ করা হচ্ছে। ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

রংপুর মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আরজানা সালেক বলেন, বিএনপি’র বিভাগীয় গণ-সমাবেশ উপলক্ষে মহিলা দলের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুুতি নেয়া হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই মহিলা দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নামবে। কোন বাঁধাই তাদের আটকাতে পারবে না।

রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম নাজু বলেন, গণসমাবেশ সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। সমাবেশে কমপক্ষে পাঁচ লক্ষাধিক লোক সমাগম হবে। কোনো বাধাই এই সমাবেশ ঠেকাতে পারবে না।

কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর কমিটির আহবায়ক শাহ নেওয়াজ লাবু বলেন, ইতিপূর্বে তিনটি বিভাগীয় সমাবেশ হয়েছে, সেখানে সরকার বাধা দিয়েও কোনো কাজ হয়নি। বরং বাঙালি জাতির ইতিহাস হলো, বাধাকে ডিঙিয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি করা। আওয়ামী লীগ যতই বাধা দেবে মানুষের মধ্যে ততই জেদ কাজ করবে এবং উপস্থিতির হার বাড়বে। রংপুর বিভাগীয় গণ-সমাবেশ হবে স্বরণকালের উপস্থিতি।

এই পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার নুরেআলম মিনা জানিয়েছেন, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা যে কোন ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে প্রস্তুত। তাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য আছে রংপুরের মিঠাপুকুর ও পীরগাছা থেকে বিএনপি’র সমাবেশে বিপুল সংখ্যক জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী উপস্থিত থাকবে। এ জন্য তারা রংপুর কারমাইকেল কলেজের আশেপাশে ও আশরতপুরসহ দর্শনা মোড়ে শিবির নিয়ন্ত্রিত ছাত্রাবাসগুলোতে অবস্থান নিচ্ছে। সেখান থেকে তারা সমাবেশ উপস্থিত থেকে যেন কোন নাশকতা ঘটিয়ে অন্য কারো উপর দায় চাপাতে না পারে সে জন্য পুলিশের পক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পুলিশ পেশাদারির ভিত্তিতে কাজ করে যাবে শেষ পর্যন্ত। কোন উস্কানী বা কোন ধরনের উত্তেজনা যেন কোন সংঘাতে রুপ না নেয় সে জন্য সাদা পোষাকে নগরীতে ও সমাবেশ স্থলের চারপাশে গোয়েন্দা সংস্থাসহ সাদা পেষাকে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশ সদস্যরা যেন ধর্য্যরে সাথে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে কোন উস্কানীতে যাতে পা না দেয় সে জন্য প্রায় দেড়হাজারের অধিক পুলিশ সদস্যকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তাদের কি পরিস্থিতিতে কি করতে হবে সে সম্পর্কে আগাম জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষে এই সমাবেশ নিয়ে পুলিশের ওপর কোন নির্দেশনা আছি কি না এম প্রশ্নের জবাবে ওই পুলিশ কমিশনার জানান, এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষে এ ধরনে সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোন বিশেষ নির্দেশনা রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ পায়নি। একটি রাজনৈতিক দল সমাবেশ করতেই পারে। আমরা সেটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ থেকে দেখছি। এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে কিছু সংগঠন একই মাঠে অভিন্ন সমাবেশের অনুমতি চাইলে আমরা তাদের বুঝিয়ে নিভৃত করেছি। আমরা সমাবেশ সকল ধরনের নিরাপত্তা ও নাশকতার কথা বিবেচনা করে নগরীর সকল প্রবশে পথে শুক্রবার সকাল থেকে চেকপোস্ট বসিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আমরা চাই নিরাপদে সামাবেশ শেষ হোক।

দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘট মালিক সমিতির:

রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের দু’দিন আগেই পরিবহন ধর্মঘট আহবান করেছে রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতি। অবৈধ যানচলাচল বন্ধের দাবিতে শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে এ ধর্মঘট। শুক্রবার ধর্মঘট ডাকা হলেও বৃহস্পতিবার থেকে সড়ক পথে যানবাহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে।

ধর্মঘট ডাকার বিষয়টি শনিবার নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা একেএম মোজাম্মেল হক। তিনি জানান, মহাসড়কে নিরাপত্তার জন্য পরিবহন মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আইন করেছে। কিন্তু রংপুরের মহাসড়কগুলোতে এখনো নছিমন, করিমন, ভটভটিসহ বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন চলাচল করছে। এ জন্য প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এমন অবস্থায় মহাসড়কে এসব যান চলাচল বন্ধের জন্য আমরা কয়েকটি সংগঠন মিলে সভা করে রংপুরের সকল সড়ক পথে ওই পরিবহন ধর্মঘট এর ডাক দিয়েছি। তিনি বলেন, ট্রাক মালিক সমিতি, কার-মাইক্রোবাস মালিক সমিতি ও সাধারণ পরিবহন মালিকদের  বৈঠকে ধর্মঘটের এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এদিকে বিএনপির সমাবেশের আগে খুলনা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিং এ ধর্মঘটের এসব অভিজ্ঞতা থেকেই এবারও আগাম প্রস্তুতির কথা নিয়েছেন সমাবেশকারীরা।


এ জাতীয় আরও খবর :