• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

দু’একটি কোকিলের ডাকে যেমন ফুল ফুটে না, ঠিক তেমনি কিছু দেশ বিরোধী অপশক্তি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করতে পারেনা- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২

দু’একটি কোকিলের ডাকে যেমন ফুল ফুটে না, ঠিক তেমনি কিছু দেশ বিরোধী অপশক্তি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করতে পারেনা- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আমাদের রংপুর ডেক্স : দু’একটি কোকিলের ডাকে যেমন ফুল ফুটে না, ঠিক তেমনি কিছু দেশ বিরোধী অপশক্তি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করতে পারেনা। ১৭ এপ্রিলের মুজিবনগর দিবস আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এসব কথা বলেন। উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের উদেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনারা নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরুন। যাতে দেশ বিরোধীরা ইতিহাস বিকৃত করে নতুন প্রজন্মে বিভ্রান্ত করতে নাপারে। স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতি হুঙ্কার দিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন,বঙ্গবন্ধুর আহবানে মুক্তিযোদ্ধারা, স্বাধীনতাকামী মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল । ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাত্রীতে পাকিস্তানী সৈন্যরা নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের উপর হত্যাকান্ড চালিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের পূর্ব মুহুর্ত্তে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার পর ইপিআর, পুলিশ, শিক্ষক-ছাত্র যুবক-যুবতী, শ্রমিক-জনতা, রাজনৈতিক নেতা তথা সর্বস্তরের জনগণ পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পেড়েছিল এবং ৯মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন করে। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর এদেশকে যারা চাননি, দেশের স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাসী নয়, তারাই বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে পাকিস্তানি কায়দায় দেশ পরিচালনায় ব্যস্ত ছিল। তাদের সেই ষড়যন্ত্র বাংলার জনগন রুখে দিয়ে ৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ পরিচালনার ভার দিয়ে বিকৃত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করে। জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে সবদিকে উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় এসে আবারো স্বাধীনতার চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বানানোর অপচেষ্ঠায় লিপ্ত থাকে। ২০০৮ সালে বিএনপি জামায়াতের দুশাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ আবারও শেখ হাসিনাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে দেশকে উন্নয়নে রোল মডেলে পরিনত করেছে। এ উন্নয়ন দেখে সারা বিশ্ব শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রসংশা করলেও বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করে উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত আছে। বিএনপি ৭ মার্চ, ১৭ এপ্রিল মানে না। তার অর্থ দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়।


ঐতিহাসিক ১৭ মার্চের আলোচনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ দেবব্রত কুমার রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মসহিন টুলু,থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত গুলফামুল ইসলাম,প্রেসক্লাব সভাপতি আমিরুল ইসলাম হেলাল, যুবলীগের সভপতি রেফাজ উদ্দিন রাঙ্গা। এর আগে সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর পক্ষে পুষ্পার্ঘ অপর্ণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান। সাথে ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভুমি) ইসরাত জাহান ছনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ রশীদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সহিদার রহমান, যুবলীগের সভাপতি রেফাজ রাঙ্গা। মন্ত্রীর পুষ্পার্ঘের পর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান, কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা রশীদুজ্জামান,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,সরকারি করিম উদ্দিন পাবলিক কলেজ, তুষভান্ডার রমনি মোহন মেমোরিয়াল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়,কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, তুষভান্ডার নছর উদ্দিন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,করিম উদ্দিন একাডেমীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে পুষ্পার্ঘ অর্পন করে।


এ জাতীয় আরও খবর :