• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ১২:২৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচী ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০২২

 

তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচী ঘোষণা

আমাদের রংপুর ডেক্স: শুক্রবার সকালে রংপুর লালকুটি স্কুল এন্ড কলেজ হলরুমে “ভাঙ্গন ঠেকাও,তিস্তা বাঁচাও, রংপুর বিভাগের বৈষম্য কমাও” বিজ্ঞানসম্মত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের সমস্যা ও করণীয় শীর্ষক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন,তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফিয়ার রহমান, স্টান্ডিং কমিটির সদস্য বৃন্দ। মূল আলোচক ছিলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নদী গবেষক ড. তুহিন ওয়াদুদ। তিঁনি বলেন, ২৩৪ বছরের পুরানো তিস্তা নদী। ১৭৮৭ সালে মাহাপ্রলয়ের সময় এই তিস্তা নদীর সৃষ্ঠি হয়। তিস্তাকে অপরিকল্পিত ভাবে উন্নয়নের নামে ক্ষতি করেছে। এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া দরকার। উত্তরাঞ্চলের জমি, ফসল,পরিবেশ ও মানুষকে রক্ষা করতে হলে বিজ্ঞানসম্মত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা দরকার।
বক্তব্য রাখেন, সৈয়দপুর প্রতিনিধি মোঃ আমিনুল ইসলনম, গংগাচড়া প্রতিনিধি জহুরুল হক, লালমনিরহাট প্রতিনিধি আ্যাডোকেট চিত্ররঞ্জন রায়, রাজারহাট প্রতিনিধি আব্দুস সালাম, কাউনিয়া প্রতিনিধি আবু সায়েম, উলিপুর প্রতিনিধি আব্দুল কাদের,কালীগঞ্জ উপজেলা কমিটির সহ সভাপতি অধ্যক্ষ ড. এএসএম মনওয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম হেলাল,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নুরুজ্জামান আহমেদ,লালমনিরহাট জেলা কমিটির সভাপতি গেরিলা লিডার এসএম সফিকুল ইসলাম কানু।

বক্তারা বলেন, তিস্তার ভাঙ্গনের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। মানুষ উগ্রিব হয়ে আছে কখন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়। তিস্তা পাড়ের মানুষকে সম্পৃক্ত করে মানববন্ধন,সভা সমাবেশ করতে হবে। তিস্তা পাড়ের লোকদের নিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটি অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের নেতৃত্বে প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা কমিটি গঠন করা দরকার। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উপদেষ্টা রাখা যেতে পারে। এরপর সভাপতি ৩টি কমর্সূচী ঘোষনা করেন- এক. ২০-২৬ মার্চ দাবি সপ্তাহ। এ সময়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে ছয় দফা দাবির স্বপক্ষে জনমত গঠন ও প্রচারনা চালানে, দুই. ৩১ মার্চ প্রতিটি উপজেলায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রেরণ। তিন. ২০ মে রংপুরে কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে।

 


এ জাতীয় আরও খবর :