• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

বিএনপি জামায়াত  রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে দিবসটিকে অবমূল্যায়ন  করে আমাদের জাতীয় সংগীত পাল্টানোর চেষ্টা  করেছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত : সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আমাদের রংপুর ডেক্স :
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান,ভাষা আন্দলোনে শহিদদের স্মৃতির উদ্যোশে  আলোচনা সভা, ভাষা সৈনিকদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়েছে।
২১ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী  কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে  সংযুক্ত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি।
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর স্বাধীনতা বিরোধীরা বাংলা ভাষাকে এবং বাংলা সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে পাকিস্তানি ভাবধারায় পরিচালিত করেছিল।এমনকি বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলনের সকল অবদান মুছে দেয়া হয়েছিল। দীর্ঘ ২১ বছর পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে আবারও বাংলা ভাষাকে সকল দপ্তরে ব্যবহারের নির্দেশনা  দেন। পাশাপাশি
২১শের চেতনাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য কাজ করেন। শেখ হাসিনার অক্রান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালে ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেন। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত  রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে দিবসটিকে অবমূল্যায়ন  করেন। এমনকি আমাদের জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে।
২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা আবার    রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে জোর প্রচেষ্টা  চালিয়ে ২০১০ সালে ২১শে অক্টোবর জাতিসংঘের ৬৫তম অধিবেশণে প্রতি বছর ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে গোটা বিশ্ব দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। যাহা ১১৩ সদস্য বিশিষ্ট জাতিসংঘের তথ্য বিষয়ক কমিটতে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়। তিঁনি আরো    বলেন, দেশকে উন্নয়ন করতে সকল স্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে কাজ করছেন শেখ হাসিনা।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমান,সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান ছনি,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কমল কৃষ্ণ সরকার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু তালেব মোঃ গোলাম রসুল, বীরমুক্তিযোদ্ধা মহসীন টুলু,প্রেসক্লাব সভাপতি আমিরুল ইসলাম হেলাল,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেবব্রত রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন চন্দ্র সরকার, কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি মিজানুর রহমান,সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম কাঞ্চন, আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি উপাধ্যক্ষ রেফাজ উদ্দিন রাঙ্গা, তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম আহমেদ, ভাষা সৈনিক বাবু মহেন্দ্র  নাথের ছেলে নিরঞ্জন কুমার রায়,ভাষা সৈনিক জরিনা বেগমের স্বজন মাহবুবর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রয়াত ভাষা সৈনিক বাবু মহেন্দ্র নাথ ও জরিনা বেগমের পরিবারের হাতে শুভেচ্ছা  উপহার তুলে দেয়া হয়। শেষে ২১ শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার বিতরন করেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদ।


এ জাতীয় আরও খবর :